ডাল্টন জহির পর্তুগাল থেকে: পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম মাহফুজুল হক গত ৩১ মার্চ ২০২৫ তারিখে “প্যালাসিও দ্যা বেলেম”-এ আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে পর্তুগালের মহামান্য রাষ্ট্রপতি প্রফেসর মারসেলো রেবেলো দ্য সূজা ’র নিকট তাঁর পরিচয় পত্র পেশ করেন।
রাষ্ট্রদূত মোটর শোভাযাত্রা সহযোগে “বাংলাদেশ ভবন” হতে প্রথমে প্রাসা দো ইম্পেরিও (জেরোনিমোস)-এ প্রথম গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে “প্যালাসিও দ্যা বেলেম” প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে এবং এ সময় বাংলাদেশ ও পর্তুগালের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয়পত্র প্রদানকালে সিভিল হাউসের প্রধান ফার্নান্দো ফুর্তুয়োসো দে মেলো, রাষ্ট্রপতির কূটনৈতিক উপদেষ্টা মারিয়া আমেলিয়া মাইও দ্যা পাইভা, পররাষ্ট্র সচিব ড. নুনো সাম্পাইও এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সেক্রেটারী জেনারেল রাষ্ট্রদূত ফ্রান্সিসকো রিবেইরো তেলেস উপস্থিত ছিলেন।
পরিচয়পত্র পেশের পর পর্তুগিজ রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের মধ্যে এক সৌজন্য বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রদূত এম মাহফুজুল হক পর্তুগালের রাষ্ট্রপতিকে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন এবং মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস এবং মাননীয় পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোঃ তৌহিদ হোসেন এর শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। পর্তুগালের মহামান্য রাষ্ট্রপতি প্রফেসর মারসেলো রেবেলো দ্য সূজা বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন এবং মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস এবং পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোঃ তৌহিদ হোসেন-কে তাঁর শুভেচ্ছা জানান। রাষ্ট্রপতি দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে বিশেষ করে বাণিজ্য ও শিক্ষা ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করার ওপর আলোকপাত করেন। তিনি পর্তুগালের অর্থনৈতিক উন্নয়নে পর্তুগাল প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূমিকার প্রশংসা করেন। পর্তুগালে দায়িত্ব পালনের সময় তিনি রাষ্ট্রদূতকে সব ধরনের সহযোগিতা ও সমর্থনের আশ্বাস দেন।
রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও পর্তুগাল এর মধ্যেকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন এবং মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষ থেকে পর্তুগিজ রাষ্ট্রপতিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। পর্তুগালের মহামান্য রাষ্ট্রপতি প্রফেসর মারসেলো রেবেলো দ্য সোজা মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে পর্তুগাল সফরের জন্যও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।