English

32 C
Dhaka
শুক্রবার, এপ্রিল ৪, ২০২৫
- Advertisement -

ছিয়াত্তরে নায়ক আলমগীর

- Advertisements -

নাসিম রুমি: পারিবারিক টানাপড়েন, সামাজিক অ্যাকশন, রোমান্টিক অ্যাকশন, ফোক ফ্যান্টাসিসহ প্রায় সব ধরনের চলচ্চিত্রে অভিনয় করে সফলতা পেয়েছেন চিত্রনায়ক আলমগীর। অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজক, গায়ক ও পরিচালক হিসেবেও সুনাম কুড়িয়েছেন। আশি ও নব্বইয়ের দশকজুড়ে দাপট দেখানো খ্যাতিমান এই চিত্রনায়ক ১৯৫০ সালের ৩ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন। পঁচাত্তর পূর্ণ করে ছিয়াত্তরে পা দিতে যাচ্ছেন চিরসবুজ এই তারকা।

আলমগীরের বাবার নাম হাজি কলিমুদ্দিন আহমেদ। তাকে সবাই দুদু মিয়া নামে চেনেন। দেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’-এর অন্যতম প্রযোজক তিনি। বাবার পথ অনুসরণ করে প্রযোজনায় না গিয়ে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান আলমগীর। অভিনয় করেন ‘আমার জন্মভূমি’ সিনেমায়। ১৯৭৩ সালের ২৪ জুন মুক্তি পায় এটি। তখন তার বয়স ২২। আর সেই তরুণকে নায়ক হিসেবে গ্রহণ করেন চলচ্চিত্রপ্রেমীরা। তার পরের গল্প প্রায় সবারই জানা।

দীর্ঘ অভিনয় ক্যারিয়ারে ২২৫টির বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন আলমগীর। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলো হলো— আমার জন্মভূমি, দস্যুরানী, অতিথি, চাষীর মেয়ে, লাভ ইন সিমলা, হাসি কান্না, মাস্তান, জয় পরাজয়, গুণ্ডা, মাটির মায়া, শাপমুক্তি, জাল থেকে জ্বালা, মনিহার, হীরা, মমতা, মনের মানুষ, রাতের কলি, লুকোচুরি, হাবা হাসমত, জিঞ্জির, মধুমিতা, হারানো মানিক, মেহেরবানু, কন্যাবদল, কাপুরুষ, শ্রীমতি, ৪২০, বদলা, সাম্পানওয়ালা, কসাই, গাঁয়ের ছেলে, প্রতিজ্ঞা, লুটেরা, চম্পাচামেলী, ওস্তাদ সাগরেদ, দেনা পাওনা, মধুমালতী, আল হেলাল, সবুজ সাথী, ভালোবাসা, বাসরঘর, মান সম্মান, ধনদৌলত, হাসান তারেক, সালতানাত, দ্বীপকন্যা, সকাল সন্ধ্যা, হল, অগ্নিপরীক্ষা।

তা ছাড়াও রয়েছে— আশার আলো, রজনীগন্ধা, বড় বাড়ীর মেয়ে, লাইলী মজনু, ঘরের বউ, ভাত দে, সখিনার যুদ্ধ, নতুন পৃথিবী, হিসাব নিকাশ, দুই নয়ন, অন্যায়, ঘরের লক্ষ্মী, মা ও ছেলে, গীত, স্বামী স্ত্রী, অপেক্ষা, পথে হল দেখা, সত্য মিথ্যা, রাঙা ভাবী, ক্ষতিপূরণ, দোলনা, মরণের পরে, পিতা মাতা সন্তান, অচেনা, সান্ত্বনা, অন্ধ বিশ্বাস, শাসন, অবুঝ সন্তান, দেশপ্রেমিক, স্নেহ, কন্যাদান, পোকামাকড়ের ঘর বসতি, অজান্তে, সত্যের মৃত্যু নাই, মায়ের অধিকার, দুর্জয়, ঘাতক, টাকা, রানী কুঠির বাকি ইতিহাস, তুমি আমার স্বামী, জীবন মরণের সাথী প্রভৃতি।

কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ শ্রেষ্ঠ অভিনেতা ও শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে নয়বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছেন আলমগীর। তা ছাড়া ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা পেয়েছেন। ২০১৯ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ‘আজীবন সম্মাননায়’ ভূষিত হন এ অভিনেতা।

ব্যক্তিগত জীবনে গীতিকার খোশনূরের সঙ্গে ঘর বাঁধেন আলমগীর। এ সংসারেই আঁখি আলমগীর, মেহরুবা ও তাসভীরের জন্ম হয়। খোশনূরের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ১৯৯৯ সালে উপমহাদেশের বরেণ্য সংগীতশিল্পী রুনা লায়লাকে বিয়ে করেন আলমগীর।

Notify of
guest
0 মন্তব্য
সবচেয়ে পুরাতন
সবচেয়ে নতুন Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Advertisements
সর্বশেষ
- Advertisements -
এ বিভাগে আরো দেখুন