থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাঙ্ককে গতকাল শুক্রবার সমাপ্ত হয়েছে বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী সাতটি দেশের জোট বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন। এর আগে বৃহস্পতিবার বিমসটেকের মন্ত্রী পর্যায়ের ২০তম বৈঠকের আগে বঙ্গোপসাগরে বাণিজ্য ও ভ্রমণ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সামুদ্রিক পরিবহন সহযোগিতা চুক্তি সই করেছে সদস্য দেশগুলো। এর ফলে সাত দেশের মধ্যে সমুদ্র পরিবহনের ক্ষেত্রে সহযোগিতার এক নতুন মাত্রা যুক্ত হবে বলে মনে করছেন আঞ্চলিক বিশেষজ্ঞরা।
বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশনের (বিমসটেক) সদস্য দেশগুলো হচ্ছে বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, নেপাল ও ভুটান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিমসটেকের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের বক্তব্যে সামষ্টিক শান্তি, অগ্রগতি ও প্রগতি নিশ্চিতের জন্য বিমসটেকের অভিন্ন অভীষ্টের প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বিমসটেক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) কার্যকর বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে ‘বাস্তবিক ও ফলদায়ক’ সহযোগিতার ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেছেন। মায়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ১২ লাখ মানুষের আশ্রয় নেওয়ার বিষয়টি বৈঠকে তুলে ধরেন তৌহিদ হোসেন এবং তাদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। জানা যায়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের পরবর্তী বৈঠক বা ২১তম বৈঠক ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে।