ঢাকা-কুনমিং ফ্লাইটের পাশাপাশি চট্টগ্রাম-কুনমিং ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা করেছে চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইনস। বিমানভাড়াও কমানোর চিন্তা-ভাবনা চলছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, কুনমিংয়ে যে চারটি হাসপাতাল নির্দিষ্ট করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে সেখানকার সেরা তিনটি হাসপাতাল। এগুলো হলো—দ্য ফার্স্ট পিপলস হসপিটাল অব ইউনান প্রভিন্স, দ্য ফার্স্ট অ্যাফিলিয়েটেড হসপিটাল অব কুনমিং মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি এবং ফাওয়াই ইউনান হসপিটাল, চায়নিজ একাডেমি অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস।
চিকিৎসার ধরন, ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণ, দোভাষী নির্বাচনসহ সামগ্রিক চিকিৎসাসেবার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কাজ করছেন। কর্মকর্তারা জানান, চট্টগ্রাম-কুনমিং রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালু হলে যাতায়াত ব্যয় ও সময় কমে আসবে। ফলে আরো বেশিসংখ্যক বাংলাদেশি রোগী সহজে চীনের স্বাস্থ্যসেবা নিতে পারবে।
চীনের এই সহযোগিতা নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একজন নাগরিক অবশ্যই উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রাখে।
কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে আমাদের নিজস্ব স্বাস্থ্যসেবাকেই আরো এগিয়ে নিতে হবে এবং সেবার মান উন্নত দেশের পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, বিদেশে চিকিৎসা করাতে গিয়ে প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলার দেশের বাইরে চলে যায়, যেখানে আমাদের লাখ লাখ প্রবাসী কর্মী সারা বছরে রেমিট্যান্স পাঠান ২৫ বিলিয়ন ডলারের মতো। এই তথ্যও চূড়ান্ত নয়। কারণ অনেকে ট্যুরিস্ট ভিসায় বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা করায়, যা এই হিসাবে আসেনি।
দেশের চিকিৎসাব্যবস্থার মানোন্নয়ন করতে হবে, যাতে ধনী-দরিদ্র সবাই উন্নত চিকিৎসাসেবা পেতে পারে। এর আগ পর্যন্ত চীনের এই সেবা আরো সহজলভ্য করার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।